lundi 30 juillet 2012
ভাইরাসের হাত থেকে পেনড্রাইভ বাচাবেন যেভাবে
ভাইরাসের আক্রমণ থেকে পেনড্রাইভের সুরক্ষার জন্য পেনড্রাইভ কখনো সরাসরি Open অথবা Explore করে না খুলে My computer-এ গিয়ে Address Bar থেকে Drive Letter লিখে ( যেমন L হলে L ) পেনড্রাইভ খুলুন। এ ছাড়া Tools/Folder Options-এ গিয়ে View অপশন থেকে Show Hidden Files and Folders, Hide Extensions for known File Types, Hide Protected Operating System Files চেকবক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে হিডেন সিস্টেম ফাইল শো করুন এবং কোনো সন্দেহজনক হিডেন (*.exe) ফাইল পেলে মুছে ফেলুন। পেনড্রাইভে autorun.inf নামে একটা ফোল্ডার (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুন। ফলে এর জায়গায় autorun.inf ভাইরাস নিজস্ব ফাইল তৈরি করতে পারবে না।
Instant Photo Sketch Software
আপনাদের সুবিধার জন্য সফটওয়্যারটির তিনটি ডাওনলোড লিংক দেয়া হলো।নিচের যেকোন একটি লিংকে ক্লীক করে সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন-
DOWNLOAD LINK 1
DOWNLOAD LINK 2
DOWNLOAD LINK 3
OS: Windows XP, 2000, 98
Requirements: No special requirements
ধন্যবাদ আপনাকে।
কম্পিউটার বিষয়ক আপনার যেকোন সমস্যার কথা জানাতে পারেন ফেসবুকের PC HELPLINEগ্রুপে,কম্পিউটার বিষয়ক হেলপ করার জন্যই এই গ্রুপটি তৈরী করা হয়েছে।
এছাড়া কম্পিউটার বিষয়ক নানা রকম টিপস জানতে যোগ দিন ফেসবুকে PC TIPS AND TRICKS গ্রুপে।
DOWNLOAD LINK 1
DOWNLOAD LINK 2
DOWNLOAD LINK 3
OS: Windows XP, 2000, 98
Requirements: No special requirements
ধন্যবাদ আপনাকে।
কম্পিউটার বিষয়ক আপনার যেকোন সমস্যার কথা জানাতে পারেন ফেসবুকের PC HELPLINEগ্রুপে,কম্পিউটার বিষয়ক হেলপ করার জন্যই এই গ্রুপটি তৈরী করা হয়েছে।
এছাড়া কম্পিউটার বিষয়ক নানা রকম টিপস জানতে যোগ দিন ফেসবুকে PC TIPS AND TRICKS গ্রুপে।
ডেস্কটপ ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবির স্লাইড শো
আমরা বর্তমানে অনেকেই উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করছি, কিন্তু একঘেয়ে ডেস্কটপ দেখতে কার ভাল লাগে বলুন? আসুন জেনে নেই কিভাবে উইন্ডোজ ৭ এর ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে নির্দিষ্ট সময় পর পর নিজের পছন্দমত ছবি দেবেন:
- এরজন্য প্রথমেই আপনার পছন্দের ছবিগুলো একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডার এ রাখুন। এবার ডেস্কটপ এ মাউসে রাইট বাটন ক্লিক করে Personalize এ ঢুকুন।
- এরপর Desktop Background (Slide Show) এ ক্লিক করুন।
- পিকচার লোকেশন এ Browse করে আপনার ছবির ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিন।
- এবার select all অপশন এ ক্লিক করে, change picture every তে ৫ সরহ বা ৩ সরহ দিন। Save changes দিয়ে বের হয়ে আসুন। ব্যাস, এবার ডেস্কটপ এ কিছুক্ষন পর পর আপনার দেয়া ছবির স্লাইড শো চলবে।
- এরজন্য প্রথমেই আপনার পছন্দের ছবিগুলো একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডার এ রাখুন। এবার ডেস্কটপ এ মাউসে রাইট বাটন ক্লিক করে Personalize এ ঢুকুন।
- এরপর Desktop Background (Slide Show) এ ক্লিক করুন।
- পিকচার লোকেশন এ Browse করে আপনার ছবির ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিন।
- এবার select all অপশন এ ক্লিক করে, change picture every তে ৫ সরহ বা ৩ সরহ দিন। Save changes দিয়ে বের হয়ে আসুন। ব্যাস, এবার ডেস্কটপ এ কিছুক্ষন পর পর আপনার দেয়া ছবির স্লাইড শো চলবে।
dimanche 29 juillet 2012
পিকাসা ওয়েব অ্যালবাম
বিনামূল্যে অনলাইনে ফটো অ্যালবাম তৈরির সুযোগ দিচ্ছে অনেক সেবামূলক সাইটই; কিন্তু গুগল তাদের গ্রাহকদের জন্য একটু বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে পিকাসা ওয়েব অ্যালবামের সাহায্যে। এই ওয়েব ফটো অ্যালবামে ১ গিগাবাইট (১০২৪ মেগাবাইট) পর্যন্ত ফটো আপলোড করা যাবে। অনলাইন থেকে সরাসরি ফটো আপলোড করতে হলে একটি একটি করে ব্রাউজ করে আপলোড করতে হয়, সেটা সময়সাপেক্ষ এবং আপলোডেও ধীরগতিতে হয়। কিন্তু পিকাসা সফটওয়্যারের সাহায্যে সহজে একটি ফোল্ডারের কয়েকশ’ (সর্বোচ্চ ৫০০) ফটো সহজে এবং অল্প সময়ে আপলোড করা যায়। এছাড়াও নোটিফিকেশনের (আরএসএস) মাধ্যমে অন্যের অ্যালবামে নতুন ফটো আপলোড করার খবর পাবেন। আরও সুবিধা হচ্ছে, আপলোড করা ফটো অ্যালবাম থেকে যে কোনো অ্যালবাম এমবেট করে বা পিকাসা সফটওয়্যার থেকে মাইস্পেস বা ব্লগারে ফটো আপলোড করতে পারবেন। এখানে ইচ্ছেমত ফটো সাজানো যায় এবং অ্যালবামের ফোল্ডার শেয়ার বা ব্যক্তিগতভাবে রাখতে পারবেন। মোট কথা, নিজের ছবিগুলোর নিরাপদ সংরক্ষণের জায়গা পিকাসা। http://picasa.google.com ওয়েবসাইট থেকে লগইন করে ফটো অ্যালবাম সক্রিয় করুন এবং পিকাসা সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন।
সফটওয়্যার ছাড়াই LOCK করুন যেকোন ফোল্ডার
মনে করুন আপনি যে ফোল্ডার লক করবেন তার নাম Love এবং এটি
রয়েছে E ড্রাইভে,তার মানে এর path E:\love
ফোল্ডারটি লক করার জন্য ডেস্কটপে নোটপ্যাড ওপেন করুন এবং লিখুন-
ren love love.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}
নোটপ্যাডটি lock.bat নামে সেভ করুন।
এবার আরেকটি নোটপ্যাড খুলুন এবং লিখুন-
ren love.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D} love
নোটপ্যাডটি key.bat নামে সেভ করুন।
তৈরীকৃত lock.bat ও key.bat ব্যাচ ফাইল দুটি E ড্রাইভে নিয়ে আসুন।আপনার কাজ হয়ে গেছে। এখন lock.bat ফাইলে কীক করলেই ফোল্ডারটি লক হয়ে যাবে।আর ফোল্ডারটি আনলক করতে key.bat ফাইলে কীক করুন।
রয়েছে E ড্রাইভে,তার মানে এর path E:\love
ফোল্ডারটি লক করার জন্য ডেস্কটপে নোটপ্যাড ওপেন করুন এবং লিখুন-
ren love love.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}
নোটপ্যাডটি lock.bat নামে সেভ করুন।
এবার আরেকটি নোটপ্যাড খুলুন এবং লিখুন-
ren love.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D} love
নোটপ্যাডটি key.bat নামে সেভ করুন।
তৈরীকৃত lock.bat ও key.bat ব্যাচ ফাইল দুটি E ড্রাইভে নিয়ে আসুন।আপনার কাজ হয়ে গেছে। এখন lock.bat ফাইলে কীক করলেই ফোল্ডারটি লক হয়ে যাবে।আর ফোল্ডারটি আনলক করতে key.bat ফাইলে কীক করুন।
মজিলার স্পীড বাড়ানোর ১০০% কার্যকরী টিপস
ইতিপূর্বে আমি এই টিপসটি আমার ব্লগে দিয়েছি।কিস্তু এই টিপসটি অনেকেই খুজে পাচ্ছেন না বলে আমাকে জানিয়েছেন।তাই আপনাদের অনুরোধে পুনরায় পোস্টটি প্রকাশ করলাম।যেটি দিয়ে আমি হাই স্পীডে নেট ইউজ করছি ।কিন্তু অনেক বন্ধুই সে টিপসটি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারছে না বলে আমাকে জানিয়েছে।নে ব্যবহারের ফলে পিসিতে প্রচুর অপ্রয়োজনীয় ফাইল জমা হয় যা না মুছলে ধীরে ধীরে নেট স্লো হবেই।সেজন্য হয়তো আমার টিপসটি অনেকে কাজে লাগাতে পারছে না।সেজন্যই আজকে আবার মজিলার স্পীড বাড়ানোর টিপস দিচ্ছি,এই ফলো করলে নিশ্চিত ভাবে নেটের গতি বাড়বে।জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্সের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে নতুন নতুন বিভিন্ন বৈশিষ্ট যোগ করার ব্যবস্থা। মুক্ত এবং ফ্রি এই ব্রাউজারের গতি বাড়িয়ে নিতে ম্যানুয়ালী কিছু কনফিগার করে নিতে পারেন। এজন্য এড্রেসবারে about:config লিখে এন্টার করুন, তাহলে ফায়ারফক্স কনফিগারেশন আসবে।
এখন network.http.pipelining এর মান true দিন (Preference এর উপরে মাউস দ্বারা দুইবার ক্লিক করলেই false থেকে true হবে)। একই ভাবে network.http.proxy.pipelining, network.dns.disableIPv6 এবং plugin.expose_full_path এর মান true নির্ধারণ করুন। এছাড়াও network.http.pipelining.maxrequests এর মান ৪ এর পরিবর্তে ৮ দিন।
এবার nglayout.initialpaint.delay নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ০। Preference তৈরী করতে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে New এ ক্লিক করুন এবং ডান থেকে String/integer/boolean নির্বাচন করুন, এরপরে Preference এর নাম লিখে Ok করুন এবং পরবর্তি উইন্ডোতে ভ্যালু লিখে বা নির্বাচন করে Ok করুন।
একই ভাবে content.notify.backoffcount নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ৫, ui.submenuDelay নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ০, content.max.tokenizing.time নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 2250000, content.notify.interval নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 750000, browser.cache.memory.capacity নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 65536|
এবার content.interrupt.parsing এবং content.notify.ontimer নামে নতুন বুলিয়েন Preference তৈরী করুন এবং মান true দিন। ব্যাস এবার দেখুন ফায়ারফক্সের গতি আগের তুলনায় বেড়েছে।
এখন network.http.pipelining এর মান true দিন (Preference এর উপরে মাউস দ্বারা দুইবার ক্লিক করলেই false থেকে true হবে)। একই ভাবে network.http.proxy.pipelining, network.dns.disableIPv6 এবং plugin.expose_full_path এর মান true নির্ধারণ করুন। এছাড়াও network.http.pipelining.maxrequests এর মান ৪ এর পরিবর্তে ৮ দিন।
এবার nglayout.initialpaint.delay নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ০। Preference তৈরী করতে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে New এ ক্লিক করুন এবং ডান থেকে String/integer/boolean নির্বাচন করুন, এরপরে Preference এর নাম লিখে Ok করুন এবং পরবর্তি উইন্ডোতে ভ্যালু লিখে বা নির্বাচন করে Ok করুন।
একই ভাবে content.notify.backoffcount নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ৫, ui.submenuDelay নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন ০, content.max.tokenizing.time নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 2250000, content.notify.interval নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 750000, browser.cache.memory.capacity নামে নতুন ইন্টিজার Preference তৈরী করুন এবং মান দিন 65536|
এবার content.interrupt.parsing এবং content.notify.ontimer নামে নতুন বুলিয়েন Preference তৈরী করুন এবং মান true দিন। ব্যাস এবার দেখুন ফায়ারফক্সের গতি আগের তুলনায় বেড়েছে।
samedi 28 juillet 2012
পেনড্রাইভের লুকানো ফাইল বের করুন
কম্পিউটার ওয়ার্ম বা ভাইরাসের কারণে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় পেনড্রাইভে ফাইল থাকলেও তা অদৃশ্য (হাইড) হয়ে যায়। কিন্তু পেনড্রাইভের Properties-এ গেলে দেখা যায় ফাইলগুলো ঠিকই মেমোরিতে জায়গা দখল করে আছে। আবার ফাইলের বদলে ফাইলের শর্টকাট পাওয়া যায়। এ রকম সমস্যায় পড়লে Start থেকে All programme/accessories/notepad-এ গিয়ে নোটপ্যাড খুলুন এবং নিচের সংকেতটি হুবহু নোটপ্যাডে লিখুন।
attrib -h -r -s /s /d DRIVE LETTER:\*.*
DRIVE LETTER:
del *.lnk /f/s/q
del *.exe /f/q
del Autorun.inf /f/q
c:
tree
cls
exit
এখানে শুধু DRIVE LETTER লেখাটি মুছে আপনার কম্পিউটারে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটারে লিখবেন (যেমন L হলে L: লিখবেন)। মাই কম্পিউটারে ঢুকে ড্রাউভ লেটার কোনটি তা দেখে নিন। নোটপ্যাডের অন্য কোনো হরফ বা চিহ্ন পরিবর্তন করবেন না। এখন File/Save as-এ গিয়ে ফাইলটি Unhide.bat নামে সেভ করুন। খেয়াল করুন, Unhide নামের নতুন একটি ফাইল তৈরি হয়েছে। তৈরি করা Unhide ফাইলটি ওপেন করুন। Unhide ফাইলটি চালু করার একটু পর তা স্বয়ংক্রীয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর পেনড্রাইভ ওপেন করে দেখুন অদৃশ্য ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে। এটি একই সঙ্গে পেনড্রাইভের ক্ষতিকর autorun.inf ফাইল, exe. এক্সটেনশনের সন্দেহজনক ফাইল এবং শর্টকাট ভাইরাসকে মুছে দেবে।
attrib -h -r -s /s /d DRIVE LETTER:\*.*
DRIVE LETTER:
del *.lnk /f/s/q
del *.exe /f/q
del Autorun.inf /f/q
c:
tree
cls
exit
এখানে শুধু DRIVE LETTER লেখাটি মুছে আপনার কম্পিউটারে পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটারে লিখবেন (যেমন L হলে L: লিখবেন)। মাই কম্পিউটারে ঢুকে ড্রাউভ লেটার কোনটি তা দেখে নিন। নোটপ্যাডের অন্য কোনো হরফ বা চিহ্ন পরিবর্তন করবেন না। এখন File/Save as-এ গিয়ে ফাইলটি Unhide.bat নামে সেভ করুন। খেয়াল করুন, Unhide নামের নতুন একটি ফাইল তৈরি হয়েছে। তৈরি করা Unhide ফাইলটি ওপেন করুন। Unhide ফাইলটি চালু করার একটু পর তা স্বয়ংক্রীয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর পেনড্রাইভ ওপেন করে দেখুন অদৃশ্য ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে। এটি একই সঙ্গে পেনড্রাইভের ক্ষতিকর autorun.inf ফাইল, exe. এক্সটেনশনের সন্দেহজনক ফাইল এবং শর্টকাট ভাইরাসকে মুছে দেবে।
vendredi 27 juillet 2012
উইন্ডোজের অটোরান বন্ধ করুন
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত কম্পিউটারে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যুক্ত করলে তা সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে (অটোরান)। ফলে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডে কোনো কম্পিউটার ওয়ার্ম বা ভাইরাস থাকলে, পেনড্রাইভ কম্পিউটারে যুক্ত করলে (ওপেন) তা ওই কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। চাইলে আপনি এই অটোরান বন্ধ রাখতে পারেন। এ জন্য মাই কম্পিউটারে ডান ক্লিক করে Manage/Computer management/Service and application/services/shell hardware detection অপশনে যান। এবার shell hardware detection অপশন খুলে Service status হিসেবে stop দিন, startup type অপশনে disable নির্বাচিত করুন। এরপর থেকে ইউএসবি ড্রাইভ সংযোগ করলে তা আর অটোরান করবে না। উল্লেখ্য, এই কাজটি করলে আপনার ডিভিডি রমকে কম্পিউটার সিডিরম হিসেবে দেখাবে। কিন্তু এতে ভয়ের কিছু নেই। ডিভিডি ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা হবে না।
jeudi 26 juillet 2012
কি বোর্ডের এক ডজন F
কম্পিউটারের কি বোর্ডের ওপরের দিকে F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে এক ডজন কি আছে সেগুলোকে বলা হয় ফাংশন কি। এসব কি একবার চেপেই বিভিন্ন সফটওয়্যারে নানা রকম কাজ করা যায়।
F1 : সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহূত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসে।
F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।
F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
F4 : ওয়ার্ডের last action performed আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
F6 : এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে। ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়।
F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কি। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়।
F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কি দিয়ে।
F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কি চেপে। Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কি চেপে। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।
F1 : সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহূত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসে।
F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা হয়। Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।
F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
F4 : ওয়ার্ডের last action performed আবার (Repeat) করা যায় এ কি চেপে। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে। পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
F6 : এটা দিয়ে মাউস কারসারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে। ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয়।
F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কি। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয়।
F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কি দিয়ে।
F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কি চেপে। Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কি চেপে। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয়।
mercredi 25 juillet 2012
আপনার মোবাইলের কল রেকর্ড করুন
অনেকে সেলফোনে কথোপকথন রেকর্ড করতে চান। তবে সব সেটে রেকর্ডিং সুবিধা থাকে না। আবার থাকলেও তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে না। এজন্য মোবাইল কল রেকর্ডার দারুণ একটি সফটওয়্যার। সফটওয়্যারটির মাধ্যমে সেলফোনে কথা বলার সময় কলার এবং রিসিপিয়েন্ট এন্ডে উভয়ের কথা একই সঙ্গে রেকর্ড করা যায়। এছাড়া সফটওয়্যারটির মাধ্যমে যে কোনো একজনের কথাও রেকর্ড করা সম্ভব। এটি সেলফোনে ইনস্টল করা থাকলে কথা বলার অবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভয়েস রেকর্ড হতে থাকে। কেউ কল করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কল রিসিভ এবং কলারকে কল রিসিভে অপারগতা বার্তা পেঁৗছে দেওয়া সম্ভব। কত সময় পর্যন্ত ভয়েস রেকর্ড হবে তা নির্ভর করে সেটের মেমোরির ওপরে। কথা শেষে ফোনের মেন্যু বাটন কিছু সময় চাপ দিয়ে ধরে রেখে রেকর্ডকৃত ভয়েস শোনা যায়। এটি নকিয়া ৬৬০০, ৬৬৩০, ৬৬৮০, ৭৬১০, এন৭০, এন৯০ সহ নকিয়ার মাল্টিমিডিয়া সেটে কাজ করে। http://bit.ly/hP1IHz ঠিকানা থেকে এটি ডাউনলোড করা যাবে।
USEFUL SOFTWARE: GLARY UTILITIES
আপনাদের সুবিধার জন্য সফটওয়্যারটির তিনটি ডাওনলোড লিংক দেয়া হলো।নিচের যেকোন একটি লিংকে ক্লীক করে সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন-
DOWNLOAD LINK 1
DOWNLOAD LINK 2
DOWNLOAD LINK 3
System Requirements
Minimal System Requirements
* Graphics mode 800x600 with 16-bit colors
* 20 MB free hard disk space at least
* Intel Pentium or AMD K5 processor with 133 MHz
* 32 MB RAM
Recommended System Requirements
* Graphics mode 1024x768 with 32-bit color
* 30 MB or more free hard disk space
* Intel Pentium 3/4 or AMD Athlon processor with 500 or above MHz
* 128 MB RAM or more
* Internet access
ধন্যবাদ।
কম্পিউটার বিষয়ক নানা রকম টিপস জানতে যোগ দিন ফেসবুকে PC TIPS AND TRICKS গ্রুপে। এছাড়া কম্পিউটার বিষয়ক নানা সমস্যার কথা জানাতে পারেন ফেসবুকের PC HELPLINEগ্রুপে।
DOWNLOAD LINK 1
DOWNLOAD LINK 2
DOWNLOAD LINK 3
System Requirements
Minimal System Requirements
* Graphics mode 800x600 with 16-bit colors
* 20 MB free hard disk space at least
* Intel Pentium or AMD K5 processor with 133 MHz
* 32 MB RAM
Recommended System Requirements
* Graphics mode 1024x768 with 32-bit color
* 30 MB or more free hard disk space
* Intel Pentium 3/4 or AMD Athlon processor with 500 or above MHz
* 128 MB RAM or more
* Internet access
ধন্যবাদ।
কম্পিউটার বিষয়ক নানা রকম টিপস জানতে যোগ দিন ফেসবুকে PC TIPS AND TRICKS গ্রুপে। এছাড়া কম্পিউটার বিষয়ক নানা সমস্যার কথা জানাতে পারেন ফেসবুকের PC HELPLINEগ্রুপে।
mardi 24 juillet 2012
পেনড্রাইভ/মেমোরি কার্ডে কোন ফাইল দেখা যাচ্ছে না কিন্তু জায়গা দখল করে আছে,তাহলে কি করবেন ?
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডের ফাইল অনেক সময় ভাইরাসের কারনে সব সুপার হিডেন হয়ে যায়। ফলে ফাইল বা ফোল্ডার দেখা যায় না কিন্তু জায়গা ঠিকই দখল করে রাখে।এতে অনেকে ভাবে ভাইরাসের কারনে ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে গিয়েছে। আসলে ফাইলগুলো যেখানে যেভাবে ছিল সেভাবেই আছে শুধু ভাইরেসের কারনে এগুলো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই ফোল্ডার গুলোর নামে EXE ফাইল তৈরী হয়, এগুলোকে ডিলিট করে দিতে হবে।আজকে আপনদের এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান দেবো।
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d
আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।
ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory
এরকম সমস্যা হলে প্রথমে run এ গিয়ে cmd লিখেenter চাপুন। এবার আপনার পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড যে ড্রাইভে আছে তার অক্ষর(যেমন I: , J:, K: ) টাইপ করুন।এখন নিচের কমান্ড লিখে enter চাপুন-
attrib -s -r -h -a /s /d
আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এতেই।
ঐ কমান্ডগুলোর অর্থটাও বুঝে নিন-
এখানে attrib মানে attribute এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
s = system file or super hidden
r = read only
h = hidden
a = archive
/d = directory
/s = sub directory
dimanche 22 juillet 2012
স্ক্রিনসেভার হিসাবে ডিফ্রাগমেন্টেশন করা
ডিক্স ডিফ্রাগমেন্টেশন টুলসের সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। অনেকে সময়ের অভাবে ডিক্স ডিফ্রাগমেন্টেশন করতে পারে না। কম্পিউটার আইডেল থাকলে স্ক্রিনসেভার চালু হয়। ডিক্স ডিফ্রাগমেন্টেশনকে স্ক্রিনসেভার হিসাবে ব্যবহার করলে মন্দ হতো না। এরকমই একটি টুলস হচ্ছে Auslogics Disk Defrag ScreenSaver। এটি ইনস্টল করলে আর দশটি স্ক্রিনসেভারের মত স্ক্রিনসেভার পাওয়া যাবে। এই স্ক্রিন সক্রিয় করলে স্ক্রিনসেভার হিসাবে চালু হবে ডিক্স ডিফ্রাগমেন্টেশন। সফটওয়্যারটি www.auslogics.com/en/software/disk-defrag-screen-saver/download থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
samedi 21 juillet 2012
typing software- LETMETYPE
আপনার টাইপিংয়ের কাজ আরো সহজ করে দেবে letmetype সফটওয়্যারটি । আপনাদের সুবিধার জন্য দুইটি ডাওনলোড লিংক দেয়া হলো। নিচের যেকোন একটি লিংকে ক্লীক করে সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন-
DOWNLOAD LINK 1
DONLOAD LINK 2
ধন্যবাদ।
কম্পিউটার/মোবাইল বিষয়ক নতুন টিপস জানতে ফেসবুকের PC TIPS AND TRICKS পেজে লাইক দিতে পারেন ।
এতে আপনি উপকৃত হবেন আশাকরি।
DOWNLOAD LINK 1
DONLOAD LINK 2
ধন্যবাদ।
কম্পিউটার/মোবাইল বিষয়ক নতুন টিপস জানতে ফেসবুকের PC TIPS AND TRICKS পেজে লাইক দিতে পারেন ।
এতে আপনি উপকৃত হবেন আশাকরি।
যেকোনো কম্পিউটারে ইনস্টটল করা ছাড়াই ব্যবহার করতে পারেন গুগল ক্রোম ব্রাউজার। এ জন্য প্রয়োজন হবে ব্রাউজারটির পোর্টেবল সংস্করণ। এই সংস্করণ পেনড্রাইভে করে যেকোনো জায়গায় বহন করে যেকোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা সম্ভব। http://portableapps.com/apps/internet/google-chrome-portable ঠিকানা থেকে গুগল ক্রোমের পোর্টেবল সংস্করণটি ডাউনলোড করা যাবে।
vendredi 20 juillet 2012
পেনড্রাইভের ভাইরাস দূর করুন
অনেক সময় পেনড্রাইভে ভাইরাস থাকলেও আমরা তা শনাক্ত করতে পারি না।ইচ্ছে করলে আপনি সহজেই পেনড্রাইভের ভাইরাস শনাক্ত করতে পারেন।এজন্য আপনার ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভটি সংযোগ করান। এখন Start/run- এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড অপশন খুলুন।এখন মাই কম্পিউটারে ঢুকে দেখে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার কোনটি তা জেনে নিন।যেমন,ড্রাইভ লেটার যদি L হয় তাহলে কমান্ড অপশনে L: লিখে ইন্টার চাপুন।এরপর dir/w/o/a/p এই কমান্ডটি হুবহু লিখে ইন্টার চাপুন।এখন আপনি পেনড্রাইভে থাকা ফাইলের তালিকা দেখতে পারবেন।ফাইলের তালিকায় Bha.vbs , Iexplore.vbs, RVHost.exe, Ravmon.exe, New_Folder.exe, Autorun.inf ইত্যাদি নামের কোন ফাইল অথবা .exe এক্সটেনসনের কোন ফাইল আছে কি না দেখুন।যদি এরকম কোন ফাইল দেখতে পান তাহলে attrib -h -r -s -a *.* কমান্ডটি লিখে ইন্টার চাপুন।এখন del filename কমান্ড লিখে ইন্টার চাপুন।এখানে filename এর জায়গায় উক্ত ফাইলের নাম হুবহু লিখতে হবে।যেমন আপনি যদি Autorun.inf ফাইলটি মুছতে চান তাহলে del Autorun.inf কমান্ড লিখে ইন্টার চাপুন।এভাবে আপনি পেনড্রাইভের সন্দেহজনক ফাইলগুলো মুছে ফেলতে পারেন।এছাড়া সম্ভব হলে সবোর্চ্চ সুরক্ষার জন্য নিয়মিত হালনাগাদ এ্যান্টিভাইরাস দিয়ে পেনড্রাইভ সম্পূর্ন স্ক্যান করুন।
ফ্রিল্যান্স টিউটোরিয়াল পর্ব-১ :ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রাথমিক ধারনা
অনলাইনে আয়- বর্তমানে প্রযুক্তির দুনিয়ায় একটি প্রতিষ্ঠিত বিষয়।অনেকেই জানতে চান কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করা যায়।কিন্তু সঠিক দিক নিদের্শনার অভাবে অনেকেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়টি বুঝতে পারেন না।তাদের জন্যই আজকে থেকে আমি পিসি হেলপলাইনে শুরু করলাম ফ্রিল্যান্সিং টিউটোরিয়াল।ধারাবাহিক এই টিউটোরিয়ালে আমি চেষ্টা করবো ফ্রিল্যান্সার হওয়ার প্রকৃত নিয়ম আপনাদের সামনে তুলে ধরতে।ধাপে ধাপে প্রতিটি পর্বে সহজভাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের নিয়মগুলো জানাবো।

function changeimage(imagenum,newfilename)
{
document.images[imagenum].src=newfilena
তবে এটা মনে রাখবেন,তথ্য জানলেই আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন বা ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারবেন-এই নিশ্চয়তা আমি দিতে পারবো না।আপনি যদি অধৈর্য অথবা অস্থির মানসিকতার হন তাহলে এই টিউটোরিয়াল আপনার জন্য নয় ।

function changeimage(imagenum,newfilename)
{
document.images[imagenum].src=newfilena
তবে এটা মনে রাখবেন,তথ্য জানলেই আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন বা ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারবেন-এই নিশ্চয়তা আমি দিতে পারবো না।আপনি যদি অধৈর্য অথবা অস্থির মানসিকতার হন তাহলে এই টিউটোরিয়াল আপনার জন্য নয় ।
যাহোক ,এতো কথা বাদ দিয়ে আজ প্রথম পর্বে জেনে নিই কিছু প্রাথমিক তথ্য-
ফ্রিল্যান্সি কি ?
ফ্রিল্যান্সিং একটি স্বাধীন পেশা।প্রযুক্তির আর্শীবাদে আপনি চেষ্টা করলেই হয়ে যেতে পারেন ফ্রিল্যান্সার।
এই পেশায় আয় কেমন ?
আপনি অস্থির মনের অধিকারী হলে আপনার জন্য এই পেশায় কোন আয় নেই।ধৈর্যশীল হলে মোটামোটি আয় করতে পারবেন।আর যদি সৃজনশীলতা,কম্পিউটার দক্ষতা,ইন্টারনেটে আপডেট রাখতে পারেন নিজেকে তাহলে এই পেশায় আপনার জন্য ভালো আয়ের মাধ্যম হতে পারে।তবে মনে রাখবেন এটি এমন একটি পেশা যেখানে আয়ের অংক নির্দিষ্ট নয়,কখনো কম বা কখনো বেশী হতে পারে ।ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের বিশাল একটি বাজার।সারাবিশ্বের উন্ন্ত দেশগুলোতে এটি প্রতিষ্ঠিত পেশা ।
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো কোথা থেকে ?
যেসব সাইট ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য উন্মুক্ত তাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মাকের্টপ্লেস।যেমন www.odesk.com, www.freelancer.com এই দুটি সাইট বর্তমানে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।এসব সাইটে যারা কাজ দিয়ে থাকে তাদেরকে বলা হয় buyer/client ।এই সাইটগুলোতে প্রতিদিন অসংখ্য কাজ জমা দেয়া থাকে।এসব কাজের জন্য যারা আবেদন করে তাদেরকে বলা হয় provider ।
কিসের কাজ দেয়া হয় ?
ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজের জন্য রয়েছে অসংখ্য কাট্যাগরী ।যেমন ডাটা এন্ট্রি,ডিজাইনিং,আর্টিকেল রাইটিং, ইত্যাদি
কাজের ধরন কেমন ?
সাধারনত একটি কাজের জন্য অসংখ্য provider আবেদন করে থাকে।কাজটি কত দিনে কত টাকায় শেষ করতে হবে তার বর্ননা লেখা থাকে।ক্লায়েন্ট যাকে খুশী নির্বাচন করতে পারেন।তবে সাধারনত যাদের পূর্ব কাজের এক্সপেরিয়েন্স রয়েছে তারাই অগ্রাধিকার পায় বেশী ।provider নিয়োগ করার পর ক্লায়েন্ট নিদির্ষ্ট পরিমান অর্থ সাইটে জমা দেয় যা কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে প্রোভাইডার পেয়ে যায়।কাজেই কাজ করে টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা এখানে রয়েছে।তবে সবকিছুর জন্য সাইট নিদির্ষ্ট পরিমান চার্জ কেটে নেবে।
প্রথম পর্বে ফ্রিল্যান্সিং সমন্ধে প্রাথমিক ধারনাগুলে দেয়ার চেষ্টা করলাম।
আগামী পর্বে থেকে সরাসরি ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করবো।এই ধারাবাহিকতায় আগামী পর্বে আপনারা আমার সাথে www.odesk.com সমন্ধে জানতে পারবেন।সে পর্যন্ত বিদায়।আর হ্যা, জানাতে ভুলবেন না আপনারা ফ্রিল্যান্সের কোন বিষয়গুলে জানতে চান।
নোকিয়ার ফাইল সাজিয়ে রাখবে Fileman
ব্লুটুথ বা ইনফ্রারেডের মাধ্যমে নকিয়া ফোনে কোনো ফাইল প্রবেশ করানো হলে বেশিরভাগ ফাইলই মেসেজের ইনবক্সে গিয়ে জমা হয়। আর এসব ফাইল পরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মোবাইলের মাল্টিমিডিয়া মেমোরি কার্ডে মুভ করানো যায় না। আবার অনেক সফটওয়্যার বা ফাইল আনইনস্টল বা রিমুভ করার সময় ঝামেলা করে বা রিমুভ হতে চায় না। এ সমস্যা সমাধানে কাজ করে ফাইলম্যান সফটওয়্যার। ফাইলের এ ধরনের অ্যাকসেস ফাইল ম্যান সফটওয়্যারটির মাধ্যমে খুব সহজে করা যায়। সিস ফাইল থেকে শুরু করে নকিয়া ফোনের প্রায় সব ধরনের ফাইল অ্যাকসেস এবং পছন্দমতো সাজিয়ে রাখার জন্য ফাইলম্যান একটি চমৎকার সফটওয়্যার। এটি মূলত সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেমে চলে। ফলে সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেম সমর্থনকারী সব সেটেই কার্যকরী সফটওয়্যারটি। নকিয়া সেটের মধ্যে নকিয়া-৬, ৭ এবং ৮ ছাড়াও এন সিরিজের বেশ কিছু মাল্টিমিডিয়া সেলফোনে সফটওয়্যারটি চলে। http://www.symbian-freeware.com/download-smart-fileman ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা যাবে এটি।
jeudi 19 juillet 2012
বিনা মূল্যে এসএমএস
ইন্টারনেট থেকে মোবাইল ফোনে বিনা মূল্যে এসএমএস পাঠানোর সুবিধা নিয়ে চালু হয়েছে ওয়েবসাইট www.bestsolutionbd.com ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করে রেজিস্ট্রেশনের পরে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। সাইটটিতে আরো রয়েছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের লাইভ স্কোর, অনলাইন কমিউনিটি, ফোরাম এবং ব্লগ লেখার সুযোগ।
SMART DEFRAG SOFTWARE
আপনাদের সুবিধার জন্য তিনটি ডাওনলোড লিংক দেয়া হলো। নিচের যেকোন একটি লিংকে ক্লীক করে সফটওয়্যারিট নামিয়ে নিন-
DOWNLOAD LINK 1
DOWNLOAD LINK 2
DOWNLOAD LINK 3
Requires: Win 2K/03/XP/Vista
Size: 1.74 MB
আপনার কম্পিউটার বিষয়ক যেকোন সমস্যার কথা জানাতে পারেন আমাদের PC HELPLINE ফেসবুক গ্রুপে।এছাড়া কম্পিউটার বিষয়ক নানা রকম টিপস জানতে পারবেন PC TIPS AND TRICKS ফেসবুক গ্রুপে।এই সাইটটি আপনার কেমন লাগলো ? আপনার মতামত,পরামর্শ সবই জানান আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।
DOWNLOAD LINK 1
DOWNLOAD LINK 2
DOWNLOAD LINK 3
Requires: Win 2K/03/XP/Vista
Size: 1.74 MB
আপনার কম্পিউটার বিষয়ক যেকোন সমস্যার কথা জানাতে পারেন আমাদের PC HELPLINE ফেসবুক গ্রুপে।এছাড়া কম্পিউটার বিষয়ক নানা রকম টিপস জানতে পারবেন PC TIPS AND TRICKS ফেসবুক গ্রুপে।এই সাইটটি আপনার কেমন লাগলো ? আপনার মতামত,পরামর্শ সবই জানান আমাদের ফেসবুক গ্রুপে।
mercredi 18 juillet 2012
ডেক্সটপ থেকে জানা যাবে ফেসবুকের আপডেট
ফেসবুকে লগইন না করে ওয়েব সাইটে না গিয়েও ফেসবুক নোটিফিকেশনস এ্যাপলিকেশন দ্বারা আপটেড জানা যাবে এবং পোস্ট করা যাবে। ৯০১ কিলোবাইটের এই ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারটি http://code.google.com/p/apjunktion-notifications থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে মাইক্রোসফট ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক ইনস্টল থাকতে হবে। এখন সফটওয়্যাটি ইনস্টল করে লগইন করুন তাহলে একটি স্ট্যাটাসবারে ফেসবুকের বর্তমান স্ট্যাটাস দেখাবে। এখানে থেকে ফেসবুকে পোস্টও করা যাবে।
mardi 17 juillet 2012
এক ক্লীকেই আপনার ছবিতে দিন এমনই সব অসাধারন ইফেক্ট,ফটো এডিটিংয়ের আসল মজা !
পরকরুনাময় আল্লাহপাকের নামে শুরু করছি।আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন।
আজকে আমি আপনাদের যে সফটওয়্যারটি উপহার দিচ্ছি এটি একেবারে ঝামেলাবিহীন আপনি ৬০০+ এর বেশী ইফেক্ট পাবেন এই সফটওয়্যারে ।ইফেক্টগুলো সব রেডিমেড :P তাই কিভাবে কি করতে হবে তা বুঝতে আপনাকে কোন কষ্ট করতে হবে না,জাস্ট ছবি ষফটওয়্যারের ভেতর ঢুকাবেন আর ইফেক্ট সিলেক্ট করবেন ।ব্যস কাজ শেষ :D
ইফেক্টগুলো কেমন ? একটু নমুনা দেখা যাক-
যদি ভালো লাগে তাহলে সংগ্রহে রাখতে ভুলবেন না ।
আমি আপনাদেরকে এই সফটওয়্যারের যে ভার্সনি দিচ্ছি সেটি পোর্টেবল,তাই নো চিন্তা ফর ইনস্টল :P নেই কোন সিরিয়াল কি/ক্রাকের ঝামেলা ।ডাওনলোড করে খালি ওপেন করবেন ।এরপর সারা জীবন ফ্রিতে ইউজ করবেন :D সফটওয়্যারটির নাম '' ফটো শাইন '' ।
এটি ডাওনলোড করতে নিচের লিংকে যান :
Click Here To Download Now
Password : pchelplinebd
ভাল্র থাকুন ,সুস্থ থাকুন।
নিজে জানুন,অন্যকে জানান।
আল্লাহ হাফেজ ।
সহজেই গানের প্লে-লিস্ট তৈরী
পছন্দের গানের প্লেলিস্ট তৈরী করা থাকলে এক ক্লিকেই সেই গানগুলো শোনা যায়। তবে প্লেলিস্ট ক্রিয়েটর সফটওয়্যার দ্বারা আরো সহজেই করা যাবে। মাত্র ১.৪ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যারটি www.oddgravity.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এই সফটওয়্যারে সকল ফরম্যাটের অডিও গান সহজেই যোগ দেওয়া, বাদ দেওয়া, সাজানো যাবে এবং .pls Ges .m3 ফরম্যাটে সেভ করা যাবে।
ডেস্কটপে সিডি ড্রাইভের স্বয়ংক্রিয় আইকন
কম্পিউটারে সিডি বা পেনড্রাইভ ঢোকালে সাধারণত মাই কম্পিউটারে ঢুকে তা খুলতে হয়। তবে ডেস্কটপ মিডিয়া নামের একটি সফটওয়্যার দিয়ে ডেস্কটপ থেকেই সিডি/পেনড্রাইভ খোলা যায়। ৩৭৬ কিলোবাইটের এই সফটওয়্যারটি http://mediafire.com/?n1y2ynjdggw ঠিকানা থেকে নামিয়ে নিন।
এখন জিপ ফাইলটি খুলে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। এর পর থেকে সিডি বা পেনড্রাইভ কম্পিউটারে ঢোকালে ডেস্কটপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার শর্টকার্ট আইকন চলে আসবে। তবে ইচ্ছে করলে অন্যান্য ড্রাইভের আইকনও ডেস্কটপে আনা যাবে। নিচে ডানপাশে ডেস্কটপ মিডিয়া নামের একটি আইকন আসবে। আইকনে ক্লিক করে Option-এ যান। কোনো কোনো ড্রাইভ পিসিতে সংযুক্ত হলে তার শর্টকার্ট আইকন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেস্কটপে আসবে; তা এখান থেকে নির্বাচন করা যাবে।
এখন জিপ ফাইলটি খুলে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। এর পর থেকে সিডি বা পেনড্রাইভ কম্পিউটারে ঢোকালে ডেস্কটপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার শর্টকার্ট আইকন চলে আসবে। তবে ইচ্ছে করলে অন্যান্য ড্রাইভের আইকনও ডেস্কটপে আনা যাবে। নিচে ডানপাশে ডেস্কটপ মিডিয়া নামের একটি আইকন আসবে। আইকনে ক্লিক করে Option-এ যান। কোনো কোনো ড্রাইভ পিসিতে সংযুক্ত হলে তার শর্টকার্ট আইকন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেস্কটপে আসবে; তা এখান থেকে নির্বাচন করা যাবে।
lundi 16 juillet 2012
কম্পিউটার থেকে আরও ভালো কাজ পেতে
আপনার কম্পিউটার থেকে আরও ভালো কাজ পেতে আপনাকে কিছু বিষয়ে নজর দিতে হবে। তার মধ্যে প্রথমেই আপনাকে নজর দিতে হবে নিয়মিত যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে। এই যত্ন বা পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় আপনাকে খেয়াল করতে হবে। কম্পিউটার অথবা কম্পিউটারের কোনো অংশ পরিষ্কার করার সময় অবশ্যই কম্পিউটার বন্ধ করে নিতে হবে। কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ পরিষ্কারের সময় কখনোই কোনো স্প্রে বা কোনো তরল পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না। যদি দরকার হয়, তবে তা কোনো কাপড়ে লাগিয়ে ব্যবহার করতে হবে।
ক্যাসিংয়ের বাইরের এবং কি-বোর্ডের ময়লা, ধুলাবালি পরিষ্কার করার জন্য ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু একে মাদারবোর্ড অথবা ভেতরে পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এতে স্থির বিদ্যুৎ তৈরি হয়ে মাদারবোর্ড নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তবে বহনযোগ্য ব্যাটারিচালিত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে।
প্রসেসর, র্যাম পরিষ্কার করার সময় অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তাড়াহুড়া করা যাবে না।
গতি বাড়াতে: প্রথমে start বাটনে ক্লিক করে run অপশনে গিয়ে recent টাইপ করে ok-তে ক্লিক করুন। যে উইন্ডোটি আসবে সেখান থেকে সবকিছকে মুছে ফেলুন। এরপর একে temp, %temp%, local settings টাইপ করে যে যে উইন্ডো আসবে তা থেকে সব delete করে ফেলুন।
এরপর ডেস্কটপে My computer-এ মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করুন। ক্লিক করে Mange-এ ক্লিক করে বাঁ পাশে অবস্থিত Disk Defragmenter-এ ক্লিক করুন। করলেই দেখবেন ডান পাশে Defragment বাটন আছে, সেখানে ক্লিক করলেই Defragment শুরু হয়ে যাবে। এরপর একে একে সব ড্রাইভকে Defragment করুন। এটা করার উদ্দেশ্য হলো, সিস্টেমের সব ফাইলকে গুছিয়ে নেওয়া, এতে প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে পারে।
start বাটনে ক্লিক করে run অপশনে গিয়ে cmd ক্লিক করুন। করলে একটা কালো উইন্ডো আসবে। যেখানে কারসর নড়ছে, সেখানে টাইপ করুন cd.. । করে Enter চাপুন। এবার আবার টাইপ করুন cd.. এবং এন্টার করুন। এবার প্রথমেই C টাইপ করে এন্টার করুন। এবার dir লিখে এন্টার করুন। একে একে আপনার কম্পিউটারে যে কয়টি ড্রাইভ আছে সবগুলো এভাবে করুন। এবার tree টাইপ করে অপেক্ষা করুন। শেষে exit টাইপ করে Enter চেপে বের হয়ে আসুন। এবার আপনার কম্পিউটারকে পুনরায় চালু করুন। একটু হলেও গতি বাড়বে
ক্যাসিংয়ের বাইরের এবং কি-বোর্ডের ময়লা, ধুলাবালি পরিষ্কার করার জন্য ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু একে মাদারবোর্ড অথবা ভেতরে পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এতে স্থির বিদ্যুৎ তৈরি হয়ে মাদারবোর্ড নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তবে বহনযোগ্য ব্যাটারিচালিত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা যাবে।
প্রসেসর, র্যাম পরিষ্কার করার সময় অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তাড়াহুড়া করা যাবে না।
গতি বাড়াতে: প্রথমে start বাটনে ক্লিক করে run অপশনে গিয়ে recent টাইপ করে ok-তে ক্লিক করুন। যে উইন্ডোটি আসবে সেখান থেকে সবকিছকে মুছে ফেলুন। এরপর একে temp, %temp%, local settings টাইপ করে যে যে উইন্ডো আসবে তা থেকে সব delete করে ফেলুন।
এরপর ডেস্কটপে My computer-এ মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করুন। ক্লিক করে Mange-এ ক্লিক করে বাঁ পাশে অবস্থিত Disk Defragmenter-এ ক্লিক করুন। করলেই দেখবেন ডান পাশে Defragment বাটন আছে, সেখানে ক্লিক করলেই Defragment শুরু হয়ে যাবে। এরপর একে একে সব ড্রাইভকে Defragment করুন। এটা করার উদ্দেশ্য হলো, সিস্টেমের সব ফাইলকে গুছিয়ে নেওয়া, এতে প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে পারে।
start বাটনে ক্লিক করে run অপশনে গিয়ে cmd ক্লিক করুন। করলে একটা কালো উইন্ডো আসবে। যেখানে কারসর নড়ছে, সেখানে টাইপ করুন cd.. । করে Enter চাপুন। এবার আবার টাইপ করুন cd.. এবং এন্টার করুন। এবার প্রথমেই C টাইপ করে এন্টার করুন। এবার dir লিখে এন্টার করুন। একে একে আপনার কম্পিউটারে যে কয়টি ড্রাইভ আছে সবগুলো এভাবে করুন। এবার tree টাইপ করে অপেক্ষা করুন। শেষে exit টাইপ করে Enter চেপে বের হয়ে আসুন। এবার আপনার কম্পিউটারকে পুনরায় চালু করুন। একটু হলেও গতি বাড়বে
vendredi 13 juillet 2012
নতুন রূপে গুগল প্রোফাইল

গুগল তার সব ব্যবহারকারীর সামাজিক ও ব্যবসায়িক সমৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে গুগল প্রোফাইলে নতুনত্ব এনেছে বলে জানা গেছে। নতুন প্রোফাইল ফিচারটির মাধ্যমে ব্যবহারকরীরা তাদের ছবিসহ যাবতীয় তথ্য শেয়ার করতে পারবেন। অনেকটা ফেসবুক প্রোফাইলের আদলে তৈরি করা হয়েছে এটি। গুগল ব্যবহারকারী যদি তার প্রোফাইল সবার জন্য উন্মুক্ত করেন তবে এটি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে প্রাধান্য পাবে। এর ফলে যে কেউ নাম সার্চ করে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে খুঁজে নিতে পারবে, যা ব্যক্তিগত পরিচিতিতে সহায়ক হবে। গুগল প্রোফাইলের প্রথম পেজে যোগ করা যাবে শোকেস, ফেভারিট ছবিসহ প্রয়োজনীয় তিনটি বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ। এখানে রয়েছে মূল পেজ বা ভিউ পেজের লিংক। যদিও আগেই গুগল প্রোফাইল পেজ ছিল, তবে এটি আগের থেকে অনেক আকর্ষণীয় করা হয়েছে। ভিউ প্রোফাইল পেজের বাম পাশে ঠাঁই পাবে সৃদৃশ্য ছবি, ডানে আছে বিস্তারিত বিবরণ। আগামীতে পেজটির আরও উন্নয়ন করবে গুগল।
লুকিয়ে রাখা ফাইল খুঁজে বের করুন
ভাইরাস এবং ওয়ার্মের কারণে অনেক সময় কম্পিউটারে সংরক্ষিত বিভিন্ন ফাইল অদৃশ্য (সুপার হাইড) হয়ে যায়। কিছুতেই ওই সব ফাইল খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে হিডেন ফাইল টুল নামের একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে সুপার হাইড ফাইল খুঁজে বের করতে পারেন। মাত্র ২৬ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি মিডিয়াফারের ডাওনলোড লিংক থেকে নামিয়ে নিন। এখন জিপ ফাইলটি খুলুন এবং দুবার ক্লিক করে সফটওয়্যারটি চালু করুন। যে ড্রাইভে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলটি লুকিয়ে আছে Browse করে সেটি দেখিয়ে দিন এবং Search অপশনে ক্লিক করুন। এখন ওই ড্রাইভে থাকা সব লুকানো ফাইলের তালিকা দেখা যাবে। আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলের নামের ওপর ক্লিক করে চিহ্নিত করুন এবং ডান পাশে Change অপশনে ক্লিক করুন। তাহলেই লুকানো ফাইলটি প্রদর্শিত হয়ে যাবে। একইভাবে আপনি যেকোনো ফাইল লুকিয়েও রাখতে পারবেন। এ জন্য Change অপশনে ক্লিক করার আগে Hidden অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে নেবেন। —খালেদ মাহমুদ খান, টাঙ্গাইল
স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাল্টান মনিটরের আলো
কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় চোখে সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত মনিটরের আলো দিনে যতটুকু উজ্জ্বল দেখা যায় রাতেও ততটুকু উজ্জ্বল দেখা যায়। যার ফলে রাতে দীর্ঘ সময় কাজ করলে মনিটরে লেখা বা ছবি ঝাপসা লাগে। দিন-রাতের আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মনিটরের আলো পরিবর্তন হয় না বলেই এ সমস্যা দেখা দেয়।
‘ফ্লাক্স’ নামের একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে মনিটরের আলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। মাত্র ৫৪৬ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি http://ziddu.com/download/ 9813854/Fluxbywww.techinfo.tk.zip.html ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নিন। জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন।
এরপর সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। সফটওয়্যারটি চালু করার পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করবে। দিন-রাতের আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি মনিটরের আলো পরিবর্তন করবে। খেয়াল করুন, সবার নিচে ডানে টাস্কবারে সফটওয়্যারটির আইকন রয়েছে, এখান থেকে আপনি মনিটরের আলোর সেটিংস নিজের ইচ্ছামতো পরিবর্তন করতে পারেন।
‘ফ্লাক্স’ নামের একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করে মনিটরের আলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। মাত্র ৫৪৬ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি http://ziddu.com/download/ 9813854/Fluxbywww.techinfo.tk.zip.html ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নিন। জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন।
এরপর সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। সফটওয়্যারটি চালু করার পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করবে। দিন-রাতের আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি মনিটরের আলো পরিবর্তন করবে। খেয়াল করুন, সবার নিচে ডানে টাস্কবারে সফটওয়্যারটির আইকন রয়েছে, এখান থেকে আপনি মনিটরের আলোর সেটিংস নিজের ইচ্ছামতো পরিবর্তন করতে পারেন।
jeudi 12 juillet 2012
ফেসবুকের কাস্টমাইজ চ্যাট বক্স
ফেসবুকে আপনার বন্ধুদের তালিকা হয়তো অনেক লম্বা। আপনি যখন ফেসবুকে লগইন করেন, তখন হয়তো অনেকেই চ্যাট করার জন্য বার্তা পাঠায়। কিন্তু আপনি যদি ব্যস্ত থাকেন বা নির্দিষ্ট কারও সঙ্গে শুধু চ্যাট করতে চান, তাহলে অনেক সময় হয়ে ওঠে না। কারণ আপনার কিছু বন্ধু হয়তো বারবার শুধু আপনাকে বার্তা পাঠায়, তখন আপনি অফলাইনেও যেতে পারছেন না; কারণ কারও সঙ্গে এখন আপনার চ্যাট করা দরকার। এ ক্ষেত্রে আপনি আপনার প্রিয় বন্ধুদের নিয়ে আলাদা চ্যাট বক্স তৈরি করতে পারেন। আলাদা চ্যাট বক্স তৈরি করার জন্য প্রথমে ফেসবুকে লগইন করে চ্যাট বক্সে ক্লিক করে তার পর Friend Lists-এ ক্লিক করুন। এখন Create a new list : বক্সে কোনো নাম লিখে (যেমন, Bestfriends, Classmates ইত্যাদি) কি-বোর্ড থেকে Enter চাপুন। এখন আবার চ্যাট বক্সে ক্লিক করে ওই নামের ওপর মাউস নিলে edit লেখা আসবে এবং সেখানে ক্লিক করলে নতুন একটি পেজ আসবে। সেখানে আপনার সব বন্ধুর তালিকা আসবে এবং সেখান থেকে আপনার পছন্দমতো বন্ধুদের নাম নির্বাচন করে Save Lists-এ ক্লিক করুন। এখন আবার চ্যাট বক্সে ক্লিক করলে সবার ওপরে দেখতে পাবেন আপনি যে নামে নতুন চ্যাট বক্সটি খুলেছেন সেই নাম এবং তার নিচে Others Friends নামে আপনার আগের চ্যাট বক্সটি। এখন চ্যাট বক্সের ডান পাশে মাউস নিলে Go offline লেখা আসবে এবং সেখানে ক্লিক করলে আপনার আগের চ্যাট বক্সটি অফলাইনে চলে যাবে। তখন শুধু নতুন চ্যাট বক্সের যে বন্ধুরা অনলাইনে আছেন, তাঁদের তালিকা দেখাবে। এভাবে আপনি একাধিক চ্যাট বক্স তৈরি করতে পারবেন এবং যেকোনো সময় যেকোনো চ্যাট বক্স অনলাইন অফলাইনে নিয়ে যেতে পারবেন। চ্যাট বক্সগুলোর ওপর মাউস রেখে edit-এ ক্লিক করে আপনার ইচ্ছামতো চ্যাট বক্সগুলো এডিটও করতে পারবেন।
mercredi 11 juillet 2012
পিডিএফ ফাইলে জলছাপ দিন
অনেক সময় পিডিএফ ফাইলে কপিরাইটের জন্য বা অন্য কোন প্রয়োজনে জলছাপ দিতে হয়। ’পিডিএফ ওয়াটারমার্ক ক্রিয়েটর’ নামক একটি সফটওয়্যার দিয়ে আপনি পিডিএফ ফাইলে জলছাপ দিতে পারেন।সফটওয়্যারটি এখানে ক্লীক করে ডাওনলোড করে নিন।এখন সফটওয়্যারটি চালু করে Open অপশনে গিয়ে পিডিএফ ফাইল খুলুন।এবার Text to stamp as watermark অপশনে গিয়ে জলছাপ হিসাবে যা লিখতে লিখুন।জলছাপের রং,ধরন,বর্ণ ইত্যাদি আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন ইচ্ছে করলে।সবশেষে Stamp Watermark & Save PDF-G গিয়ে পিডিএফ ফাইলটি সেভ করুন।এখন পিডিএফ ফাইলটি খুললেই জলছাপ দেখা যাবে।
ফেসবুকে কম্পিউটার বিষয়ক গ্রুপ
কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের কথা শেয়ার করার জন্য সমপ্রতি ফেসবুকে ’পিসি হেলপলাইন’ নামক একটি গ্রুপ খোলা হয়েছে।এই গ্রুপে যোগ দিয়ে কম্পিউটার বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার কথা জানাতে পারবেন,অন্যদের সমস্যার সমাধান দিয়ে দিতে পারবেন।গ্রুপটিতে যোগ দেয়ার ঠিকানা- http://facebook.com/group.php?gid=142948365718783
ওয়েব পেইজের নির্দিষ্ট অংশ প্রিন্ট
ওয়েব পেইজের নির্দিষ্ট অংশ প্রিন্ট করা সম্ভব। এ জন্য www.printwhatyoulike.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে Enter এ URL টেক্সট বক্সে আপনার প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইটটির ঠিকানা লিখে Start বাটনে ক্লিক করুন। বাম পাশে একটি প্যানেলসহ আপনার দেওয়া ওয়েব পেইজটি দেখা যাবে। এবার আপনি ওয়েব পেইজের যে অংশটুক প্রিন্ট করতে চান তা মাউস দিয়ে নির্দিষ্ট করে ক্লিক করুন (উপরে মাউস রাখলে লাল বর্ডার আসবে) নির্বাচিত হবে। এবার প্রিন্ট কমান্ড দিলে আপনার নির্বাচিত অংশ প্রিন্ট হবে।
mardi 10 juillet 2012
ফায়ারফক্সের কার্যকারিতা বাড়ান
অনেক সময় ফায়ারফক্স খুলতে বেশ সময় লাগে। স্পিডি ফক্স নামের একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে এসব সমস্যার সমাধান করতে পারেন। মাত্র ৪৫৮ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি http://www.mediafire.com/?6s97hpsg7dv69x9 ঠিকানা থেকে নামিয়ে নিন। এরপর জিপ ফাইলটি খুলুন। সফটওয়্যারটি বহনযোগ্য বলে ইনস্টলের ঝামেলা নেই।
lundi 9 juillet 2012
dimanche 8 juillet 2012
samedi 7 juillet 2012
ফেসবুকের কাস্টমাইজ সেটিংস
ফেসবুকে আপনার বন্ধুদের তালিকা হয়তো অনেক লম্বা। তাঁদের মধ্যে আছে আপনার বন্ধু, বড় ভাই, শিক্ষক, আত্মীয়স্বজন বা অপরিচিত অনেকেই। কিন্তু কিছু কিছু ছবি বা লেখা আছে, যেগুলো সবারা জন্য নয়। শুধু নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য।
নির্দিষ্ট বন্ধুদের সঙ্গে ফেসবুকের নির্দিষ্ট কিছু জিনিস ভাগাভাগি বা শেয়ার করার জন্য আপনি ফেসবুকের কাস্টমাইজ সেটিংস ব্যবহার করতে পারেন। ফেসবুকের কাস্টমাইজ সেটিংস ব্যবহার করার জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Pৎivacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন নিচে থেকে Customize settings-এ ক্লিক করুন। এখন আপনার ছবির অ্যালবামের সেটিংস কাস্টমাইজ করার জন্য ওই পেজের মাঝখানে Edit album pৎivacy-এ ক্লিক করুন। এখন যে অ্যালবামটির কাস্টমাইজ সেটিংস তৈরি করতে চান, সে অ্যালবামটির নামের নিচের বাটনে ক্লিক করে কাস্টমাইজ নির্বাচন করুন। এখন Make this visible to বক্সে ক্লিক করে Specific People নির্বাচন করে যাঁদের সঙ্গে অ্যালবামটি শেয়ার করতে চান, তাঁদের নাম লিখে Save Satting-এ ক্লিক করুন বা যদি কিছু নির্দিষ্ট বন্ধু ছাড়া বাকি সবার সঙ্গে শেয়ার করতে চান, তাহলে Hide this fৎom বক্সে তাঁদের নাম লিখে Save Satting-এ ক্লিক করুন। এভাবে Pৎivacy Settings থেকে Customize Settings-এ ক্লিক করে সবকিছুর কাস্টমাইজ সেটিংস তৈরি করতে পারেন।
যাঁরা আপনার বন্ধু নন তাঁদের কাছে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটি দেখতে কেমন দেখায়, সেটি দেখতে চাইলে Account থেকে Pৎivacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন নিচে থেকে Customize settings-এ ক্লিক করে নতুন পেজ এলে সবার ওপরে ডান পাশে Pৎeview My Pৎofile-এ ক্লিক করুন।
নির্দিষ্ট বন্ধুদের সঙ্গে ফেসবুকের নির্দিষ্ট কিছু জিনিস ভাগাভাগি বা শেয়ার করার জন্য আপনি ফেসবুকের কাস্টমাইজ সেটিংস ব্যবহার করতে পারেন। ফেসবুকের কাস্টমাইজ সেটিংস ব্যবহার করার জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Pৎivacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন নিচে থেকে Customize settings-এ ক্লিক করুন। এখন আপনার ছবির অ্যালবামের সেটিংস কাস্টমাইজ করার জন্য ওই পেজের মাঝখানে Edit album pৎivacy-এ ক্লিক করুন। এখন যে অ্যালবামটির কাস্টমাইজ সেটিংস তৈরি করতে চান, সে অ্যালবামটির নামের নিচের বাটনে ক্লিক করে কাস্টমাইজ নির্বাচন করুন। এখন Make this visible to বক্সে ক্লিক করে Specific People নির্বাচন করে যাঁদের সঙ্গে অ্যালবামটি শেয়ার করতে চান, তাঁদের নাম লিখে Save Satting-এ ক্লিক করুন বা যদি কিছু নির্দিষ্ট বন্ধু ছাড়া বাকি সবার সঙ্গে শেয়ার করতে চান, তাহলে Hide this fৎom বক্সে তাঁদের নাম লিখে Save Satting-এ ক্লিক করুন। এভাবে Pৎivacy Settings থেকে Customize Settings-এ ক্লিক করে সবকিছুর কাস্টমাইজ সেটিংস তৈরি করতে পারেন।
যাঁরা আপনার বন্ধু নন তাঁদের কাছে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটি দেখতে কেমন দেখায়, সেটি দেখতে চাইলে Account থেকে Pৎivacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন নিচে থেকে Customize settings-এ ক্লিক করে নতুন পেজ এলে সবার ওপরে ডান পাশে Pৎeview My Pৎofile-এ ক্লিক করুন।
স্বয়ংক্রীয়ভাবে মুছুন অপ্রয়োজনীয় Prefetch ফাইল
আশা করি আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন।
আজকে ছো্ট একটি নোটপ্যাডের টিপস দেখাবো।যাদের জানা নেই এটি তাদের কাজে লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস।
জমে থাকা Prefetch ফাইল কম্পিউটারকে স্লো করে দেয়। আমরা সাধারনত Start/Run-G গিয়ে prefetch লিখে এই ফাইলগুলো ডিলিট করি।কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলে এই ফাইলগুলো অটোমেটিক ডিলিট করতে পারেন।এজন্য প্রথমে My computer এ যান,এবার আপনার হার্ড ড্রাইভে যান।এখানে কোন ফাঁকা জায়গায় Right click করে New অপশন থেকে Text document এ যান এবং এটি deleteprefetch নামে সেভ করুন। এবার Double click দিয়ে এই ফাইলে প্রবেশ করুন এবং লিখুন-
del C:\Windows\Prefetch\*.* /Q
এখন File/Save as থেকে All files নির্বাচিত করুন Save as type হিসেবে।সবশেষে deleteprefetch.bat নামে এটি সেভ করুন।লক্ষ্য করে দেখুন একটি Batch file তৈরী হয়েছে। এবার থেকে এই Batch file-G Double click দিলেই Prefetch ফাইলগুলো অটোমেটিক ডিলিট হয়ে যাবে।
আজকে ছো্ট একটি নোটপ্যাডের টিপস দেখাবো।যাদের জানা নেই এটি তাদের কাজে লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস।
জমে থাকা Prefetch ফাইল কম্পিউটারকে স্লো করে দেয়। আমরা সাধারনত Start/Run-G গিয়ে prefetch লিখে এই ফাইলগুলো ডিলিট করি।কিন্তু আপনি ইচ্ছে করলে এই ফাইলগুলো অটোমেটিক ডিলিট করতে পারেন।এজন্য প্রথমে My computer এ যান,এবার আপনার হার্ড ড্রাইভে যান।এখানে কোন ফাঁকা জায়গায় Right click করে New অপশন থেকে Text document এ যান এবং এটি deleteprefetch নামে সেভ করুন। এবার Double click দিয়ে এই ফাইলে প্রবেশ করুন এবং লিখুন-
del C:\Windows\Prefetch\*.* /Q
এখন File/Save as থেকে All files নির্বাচিত করুন Save as type হিসেবে।সবশেষে deleteprefetch.bat নামে এটি সেভ করুন।লক্ষ্য করে দেখুন একটি Batch file তৈরী হয়েছে। এবার থেকে এই Batch file-G Double click দিলেই Prefetch ফাইলগুলো অটোমেটিক ডিলিট হয়ে যাবে।
jeudi 5 juillet 2012
সাবধান! ফেসবুকে বিকিনি পরা নারীর ছবির আড়ালে লুকিয়ে আছে কঠিন ভাইরাস!!!
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকে নতুন একটি ভাইরাসের শিকার হচ্ছেন এর লাখ লাখ ব্যবহারকারী। জানা গেছে, সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পরা নারীর ছবি দিয়ে বানানো একটি স্লাইড শো’র মাধ্যমেই ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। ফেসবুকে নতুন এই ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য জানিয়েছে সফটওয়্যার সিকিউরিটি ফার্ম ‘সোফোস’। খবর ফক্স নিউজের।
সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, ভাইরাসটি ছড়াচ্ছে ব্যবহারকারীর ওয়াল পেজের একটি ভিডিওচিত্রের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। বিজ্ঞাপনটিতে দেখানো হচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পরা এক নারীর ছবি। এ ছবিতে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই একটি অ্যাপ্লিকেশন পেজ খুলে যায়, যা ব্যবহারকারীকে একটি প্রয়োজনীয় ফাইল ডাউনলোড করতে বলে। আর এই ‘প্রয়োজনীয়’ ফাইলটির আদলের আসলে ডাউনলোড হয় ভাইরাস। পাশাপাশি, ভাইরাস এই বিজ্ঞাপনটিকে ব্যাবহারকারীর নামে তার সব ফেসবুক বন্ধুর ওয়াল পেজে পাঠিয়ে দেয়।
সোফোস-এর সিনিয়র টেকনোলজি কনসালটেন্ট গ্রাহাম ক্লুয়ি বলেছেন, ’প্রথমে খুব হাস্যকর মনে হলেও পুরো ব্যাপারটি কিন্তু মোটেও হাসির ব্যাপার নয়। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা তাদের বন্ধুর কাছ থেকে এ ধরনের চটকদার ও হাস্যরসাত্মক লিংক পেয়ে অভ্যস্ত, তারা হয়ত একবারো চিন্তা না করেই লিংকটিতে ক্লিক করবেন। কিন্তু এই ছোট্ট একটি ভূল সিদ্ধান্তই পুরো সাইটটি ও এর ব্যাবহারকারীর জন্য বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
সাইবার ক্রিমিনালদের এ আক্রমণ বেছে বেছে সপ্তাহ শেষে ছুটির দিনেই ঘটে। সাইবার ক্রিমিনালদের উদ্দেশ্যে ক্লুয়ি বলেছেন, ’ওরা কি মনে করে ছুটির দিনে এ্যান্টি ভাইরাস গবেষক ও ফেসবুকের নিরাপত্তা বাহিনীর মানুষজন নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে কাটায়?’
উল্লেখ্য, এই ভাইরাস আক্রমণের শিকার ব্যবহারকারীদের তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ওয়াল পেজ থেকে বিজ্ঞাপনটি মুছে ফেলে পাসওয়ার্ড বদলে ফেলার এবং পুরো কম্পিউটারটি একটি আপডেটেট এ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করার পরামর্শ দিয়েছেন ক্লুয়ি।
ধারণা করা হচ্ছে, এটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়া ‘সেক্সিয়েস্ট ভিডিও এভার’ প্রতারণারই একটি অংশ।ঐ ভিডিওর বিষয়ে আগেই জানতাম।কিন্তু ছবির স্লাইড শোর বিষয়ে জানতাম না।তাই খবরটি শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে।প্রতিক্রিয়া জানাবেন।ধন্যবাদ।
তথ্যসূত্র:বিডিনিউজ24
সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, ভাইরাসটি ছড়াচ্ছে ব্যবহারকারীর ওয়াল পেজের একটি ভিডিওচিত্রের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। বিজ্ঞাপনটিতে দেখানো হচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পরা এক নারীর ছবি। এ ছবিতে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই একটি অ্যাপ্লিকেশন পেজ খুলে যায়, যা ব্যবহারকারীকে একটি প্রয়োজনীয় ফাইল ডাউনলোড করতে বলে। আর এই ‘প্রয়োজনীয়’ ফাইলটির আদলের আসলে ডাউনলোড হয় ভাইরাস। পাশাপাশি, ভাইরাস এই বিজ্ঞাপনটিকে ব্যাবহারকারীর নামে তার সব ফেসবুক বন্ধুর ওয়াল পেজে পাঠিয়ে দেয়।
সোফোস-এর সিনিয়র টেকনোলজি কনসালটেন্ট গ্রাহাম ক্লুয়ি বলেছেন, ’প্রথমে খুব হাস্যকর মনে হলেও পুরো ব্যাপারটি কিন্তু মোটেও হাসির ব্যাপার নয়। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা তাদের বন্ধুর কাছ থেকে এ ধরনের চটকদার ও হাস্যরসাত্মক লিংক পেয়ে অভ্যস্ত, তারা হয়ত একবারো চিন্তা না করেই লিংকটিতে ক্লিক করবেন। কিন্তু এই ছোট্ট একটি ভূল সিদ্ধান্তই পুরো সাইটটি ও এর ব্যাবহারকারীর জন্য বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
সাইবার ক্রিমিনালদের এ আক্রমণ বেছে বেছে সপ্তাহ শেষে ছুটির দিনেই ঘটে। সাইবার ক্রিমিনালদের উদ্দেশ্যে ক্লুয়ি বলেছেন, ’ওরা কি মনে করে ছুটির দিনে এ্যান্টি ভাইরাস গবেষক ও ফেসবুকের নিরাপত্তা বাহিনীর মানুষজন নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়ে কাটায়?’
উল্লেখ্য, এই ভাইরাস আক্রমণের শিকার ব্যবহারকারীদের তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ওয়াল পেজ থেকে বিজ্ঞাপনটি মুছে ফেলে পাসওয়ার্ড বদলে ফেলার এবং পুরো কম্পিউটারটি একটি আপডেটেট এ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করার পরামর্শ দিয়েছেন ক্লুয়ি।
ধারণা করা হচ্ছে, এটি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়া ‘সেক্সিয়েস্ট ভিডিও এভার’ প্রতারণারই একটি অংশ।ঐ ভিডিওর বিষয়ে আগেই জানতাম।কিন্তু ছবির স্লাইড শোর বিষয়ে জানতাম না।তাই খবরটি শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে।প্রতিক্রিয়া জানাবেন।ধন্যবাদ।
তথ্যসূত্র:বিডিনিউজ24
mardi 3 juillet 2012
ইয়াহু মেসেঞ্জারে একসঙ্গে একাধিক আইডি লগ ইন
অনেক সময় ইয়াহু মেসেঞ্জারে একাধিক আইডিতে লগ ইন করতে হয়। কিন্তু এটা সম্ভব হয় না, অবশ্য অনেকে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করেন। কিন্তু কোনো ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার ছাড়াই একাধিক ইয়াহু আইডিতে লগ ইন করা সম্ভব। এর জন্য প্রথমে—
কম্পিউটারের স্টার্ট বাটন থেকে Run-এ ক্লিক করে টাইপ করুন regedit, এরপর ড়শ করুন। একটা ডায়ালগ বক্স আসবে যাতে hkey_current_user লেখাতে ক্লিক করতে হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে software>yahoo>pager-এ ক্লিক করে test-এর ডান দিকে সাদা জায়গায় রাইট বাটন ক্লিক করতে হবে। এবার ফাঁকা স্থানে ক্লিক করুন মাউসে New শো করতে। এবার DWORD Value-তে গিয়ে ফাঁকা জায়গায় ক্লিক করলে New Value #1 আসবে। এবার এটাকে রিনেম করে ওই স্থানে plural লিখতে হবে। এবার plural-এ রাইট বাটন ক্লিক করে মডিফাইতে ক্লিক করতে হবে। এবার যে বক্স আসবে সেখানে value data নড়ী G 0-র স্থানে ১ করে ড়শ করতে হবে।
এরপর কম্পিউটার restart করলেই ইয়াহু মেজেঞ্জারে একইসঙ্গে একাধিক আইডি ব্যবহার করা যাবে। আবার আগের জায়গায় যেতে চাইলে value data box-এ ১ জায়গায় ০ টাইপ করে দিলেই হয়ে যাবে।
কম্পিউটারের স্টার্ট বাটন থেকে Run-এ ক্লিক করে টাইপ করুন regedit, এরপর ড়শ করুন। একটা ডায়ালগ বক্স আসবে যাতে hkey_current_user লেখাতে ক্লিক করতে হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে software>yahoo>pager-এ ক্লিক করে test-এর ডান দিকে সাদা জায়গায় রাইট বাটন ক্লিক করতে হবে। এবার ফাঁকা স্থানে ক্লিক করুন মাউসে New শো করতে। এবার DWORD Value-তে গিয়ে ফাঁকা জায়গায় ক্লিক করলে New Value #1 আসবে। এবার এটাকে রিনেম করে ওই স্থানে plural লিখতে হবে। এবার plural-এ রাইট বাটন ক্লিক করে মডিফাইতে ক্লিক করতে হবে। এবার যে বক্স আসবে সেখানে value data নড়ী G 0-র স্থানে ১ করে ড়শ করতে হবে।
এরপর কম্পিউটার restart করলেই ইয়াহু মেজেঞ্জারে একইসঙ্গে একাধিক আইডি ব্যবহার করা যাবে। আবার আগের জায়গায় যেতে চাইলে value data box-এ ১ জায়গায় ০ টাইপ করে দিলেই হয়ে যাবে।
lundi 2 juillet 2012
ফেসবুকের সব তথ্য সেভ করুন হার্ডডিস্কে
ব্যবহারকারীরা যাতে আরও নিরাপদে তথ্য শেয়ার করতে পারেন সে জন্য সম্প্রতি ফেসবুকে ‘গ্রুপস’ নামক একটি ফিচার চালু করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফিচারটি চালু করেছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ। যদিও বাংলাদেশে এখনও এটি চালু হয়নি। তবে ‘গ্রুপস’ ফিচার যেদিন চালু করা হলো ঠিক একই দিন ‘ডাউনলোড টুলস’ নামে আরেকটি টুলসেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন জুকারবাগ।
ফেসবুক ডাউনলোড টুলস
ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা ইদানীং নানা কারণেই অ্যাকাউন্ট বাতিলের স্বীকার হচ্ছেন। অ্যাকাউন্ট অপব্যবহারের কারণেও অনেকে সাধ্যের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হারাচ্ছেন। এতে হয়ত সহজেই আরেকটি অ্যাকাউন্ট খুলে নেয়া যাবে, তবে আগের অ্যাকাউন্টের কনটেম্লটগুলো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। ফেসবুকে জমা হওয়া সব কনটেম্লট এবং তথ্য হারিয়ে যাবে চিরতরে! তবে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আগে তথ্যগুলো যাতে ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন, সে বন্দোবস্ত করে দিলেন স্বয়ং জুকারবার্গ। ডাউনলোড টুলসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা হার্ডড্রাইভে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সব তথ্য ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
কীভাবে করবেন এ প্রক্রিয়া?
প্রথমে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন। এবার হোমপেজের উপরে ডানপাশে Accounts এ ক্লিক করুন। এখান থেকে ক্লিক করুন Account Settings-এ।
নতুন যে পেজটি খুলবে এবার একেবারে তার নিচে Download your information নামে একটা ট্যাব পাবেন। সেখানকার Learn More লেখা লিংকে ক্লিক করুন।
এরপর Download বাটনে সরাসরি একটি ক্লিক করুন। এবার আপনার ফেসবুক মেইল অ্যাকাউন্টে একটি মেইল পাবেন (মেইল পেতে কয়েক ঘণ্টা দেরি হতে পারে)। মেইলে একটা লিংক পাবেন। লিংকটিতে ক্লিক করুন। নতুন যে পেজটি খুলবে সেখানে আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটি লিখুন। এবার ডাউনলোডে ক্লিক করলে আপনার ফেসবুকের তথ্যগুলো ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে।
তথ্যগুলো যেভাবে দেখবেন
ডাউনলোড হওয়া তথ্যের ফাইলটি জিপ ফাইল হিসেবে থাকবে। প্রথমে সেটি আনজিপ করুন। এবার যে ফাইলটি ইনডেক্স নামে পাবেন সেটি কোনো ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে খুলুন (ওপেন উইথ থেকে ব্রাউজার নির্বাচন করতে হবে)। এবার ফাইলটি অফলাইনে ঘুরে বেড়াতে পারবেন এবং তথ্যাবলী সব দেখতে পারবেন। ছবিগুলো পাবেন অ্যালবাম নামক একটি ফোল্ডারে।
ফেসবুক ডাউনলোড টুলস
ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা ইদানীং নানা কারণেই অ্যাকাউন্ট বাতিলের স্বীকার হচ্ছেন। অ্যাকাউন্ট অপব্যবহারের কারণেও অনেকে সাধ্যের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হারাচ্ছেন। এতে হয়ত সহজেই আরেকটি অ্যাকাউন্ট খুলে নেয়া যাবে, তবে আগের অ্যাকাউন্টের কনটেম্লটগুলো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। ফেসবুকে জমা হওয়া সব কনটেম্লট এবং তথ্য হারিয়ে যাবে চিরতরে! তবে চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আগে তথ্যগুলো যাতে ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন, সে বন্দোবস্ত করে দিলেন স্বয়ং জুকারবার্গ। ডাউনলোড টুলসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা হার্ডড্রাইভে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সব তথ্য ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
কীভাবে করবেন এ প্রক্রিয়া?
প্রথমে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করুন। এবার হোমপেজের উপরে ডানপাশে Accounts এ ক্লিক করুন। এখান থেকে ক্লিক করুন Account Settings-এ।
নতুন যে পেজটি খুলবে এবার একেবারে তার নিচে Download your information নামে একটা ট্যাব পাবেন। সেখানকার Learn More লেখা লিংকে ক্লিক করুন।
এরপর Download বাটনে সরাসরি একটি ক্লিক করুন। এবার আপনার ফেসবুক মেইল অ্যাকাউন্টে একটি মেইল পাবেন (মেইল পেতে কয়েক ঘণ্টা দেরি হতে পারে)। মেইলে একটা লিংক পাবেন। লিংকটিতে ক্লিক করুন। নতুন যে পেজটি খুলবে সেখানে আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটি লিখুন। এবার ডাউনলোডে ক্লিক করলে আপনার ফেসবুকের তথ্যগুলো ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে।
তথ্যগুলো যেভাবে দেখবেন
ডাউনলোড হওয়া তথ্যের ফাইলটি জিপ ফাইল হিসেবে থাকবে। প্রথমে সেটি আনজিপ করুন। এবার যে ফাইলটি ইনডেক্স নামে পাবেন সেটি কোনো ওয়েব ব্রাউজার দিয়ে খুলুন (ওপেন উইথ থেকে ব্রাউজার নির্বাচন করতে হবে)। এবার ফাইলটি অফলাইনে ঘুরে বেড়াতে পারবেন এবং তথ্যাবলী সব দেখতে পারবেন। ছবিগুলো পাবেন অ্যালবাম নামক একটি ফোল্ডারে।
Inscription à :
Articles (Atom)






